গোয়েন্দা সুনীলের অ্যাডভেঞ্চার পার্ট ২
১)ধুর্ত চোরের কাণ্ড কারখানা :
সুনীল আর ওর বন্ধু আনন্দ নতুন পাড়ায় এসেছে।অপরাধীরা সুনীলের অসাধারণ প্রতিভার কথা জানতে পারে । তারা জানে বনের মধ্যে এক পুরানো জমিদার আমলের মন্দিরের মধ্যে গুপ্তধন রাখা আছে কিন্তু সেটা উদ্ধার করার জন্য সুনীলর দৃষ্টি আকর্ষণ করা দরকার। কিন্তু সুনীল উদ্ধার করলে সেটা সরকারের অধীনে চলে যাবে। তাই বুদ্ধি করে এবং কৌশলে এ টি এম এর টাকা লোপাট করে সুনীলদের পিছু ধাওয়া করিয়ে করিয়ে ওই মন্দিরের গুপ্তধন পর্যন্ত নিয়ে যায় যাতে ওই জটিল ধাঁধা সমাধান হওয়ার পর ওরা আক্রমণ করেই গুপ্তধন ছিনিয়ে নিতে পারে।সুনীল এবং তার সাথীরা অসীম সাহস ও বুদ্ধির সাহায্যে মন্দিরের মধ্যে থাকা অত্যন্ত জটিল ধাঁধা সমাধান করে গুপ্তধন উদ্ধার করে। উদ্ধার করে এ টি এম থেকে চুরি যাওয়া টাকাও। এবং অপরাধীরা গ্রেফতার হয়।
২)চলন্ত ট্রেনে অদ্ভুত খুন :আনন্দ ও সুনীল বেড়াতে যওয়ার পথে একজন যাত্রী খুন হন। তদন্তে দেখা যায় খুন হওয়া ব্যক্তি একজন মাদক পাচারকারি। এবং মাদক চুরির অন্য এক মাথার লাগানো লোকের দ্বারা তিনি খুন হন। কিন্তু খুনটা করা হয় ট্যারেন্টুলা মাকড়সার কামড় খাইয়ে এবং সেটা গোপন করার জন্য মিমেটাস পারভিউলাস প্রজাতির অন্য এক মাকড়সা দিয়ে ট্যারেন্টুলটাকে খাইয়ে দেয়। পরে সুনীল ও পুলিশের দক্ষতায় খুনিও পাচারকারি দল ধরা পড়ে।
(৩)বাবা পাচার চক্র:সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রচুর আত্মহত্যার তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায় এগুলো বাবা অর্থাৎ ইয়াবা নামক এক প্রকার নেশার ট্যাবলেট খাওয়ার ফল। সেখানে একটা বড় চক্র এই কাজে জড়িত। সুনীল ও তার সাথীরা তদন্তে নেমে পছরকারীদের ধরে ফেলেও ছেড়ে দেয়। পরে তাদেরকে লক্ষ্য রেখে মূল পান্ডাকে ধরে ফেলে। দলের পান্ডা ছিলেন এলাকার বিখ্যাত একজন ডাক্তার।)
৪)ভাসমান লাশ :এইগল্পে সাধারণ একজন গ্রামবাসী এলাকার একজন প্রভাবশালী মদ বিক্রেতাকে এক অদ্ভুত উপায় খুন করে। পুকুরের ঘাটের কাছে জলের নিচে বড় একটা ফাঁদ পেতে রেখে সেই ফাঁসের দড়ির মাথা ঘাটের উল্টো দিকের আমড়া গাছের কাছে লুকিয়ে রাখে। তারপর খুনি খুন হওয়া ওই ব্যক্তিকে বুঝিয়ে ওই পুকুরের জলে চান করতে নামায়।ওই ব্যক্তি ঘাটের নিচে নামলে পুকুরের উল্টো দিকে থেকে দাড়ি টেনে লোকটাকে ডুবিয়ে হত্যা করে। মরে যাওয়ার পর তার পায়ের বাঁধন খুলে দিয়ে তাকে জলে ডুবে মৃত প্রমাণ করতে চায়। কিন্তু সুনীল ও পুলিশ তাকে প্রমাণ সমেত ধরে ফেলে।
৫)ভুতুড়ে বাড়ি : সুনীল আর আনন্দ বন্ধুর বাড়ি গিয়েছে। সেখানে শুনলো একটা বাড়িতে ভুতুড়ে কাণ্ড ঘটছে। বাড়ির ছেলেটা ঘরের মধ্যে ঢুকলে সমস্ত ইলেকট্রনিক যন্ত্র সশব্দে ব্লাস্ট করছে। নস্ট হয়ে যাচ্ছে। সুনীলরা তদন্তে জানতে পারে এটা ছেলেটার বদমাসি। ছেলেটা তার ইলেকট্রনিক্স এর উপর দক্ষতা ও দুস্টু বুদ্ধি ব্যবহার করে এসব ঘটাচ্ছিল ।
৬)পঞ্চায়েত অফিসে আগুন :পঞ্চায়েত অফিসে আগুন লেগে সমস্ত দরকারি কাগজ পত্র, টাকা পয়সা সব পুড়ে গেছে। কিন্তু আগুন কিভাবে লাগল বা কে আগুন লাগালো কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। সুনীলের তদন্তে ধরা পড়লো প্রধানের সহযোগী বিশেষ ভাবে প্রস্তুতকরা একটা রিমোট কট্রোল খেলনা গাড়ী আগে থেকে পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যে রেখে বাইরে থেকে রিমোটের সাহায্যে বাইরে থেকে আগুন লাগিয়েছে।
Reviews and Ratings
No Customer Reviews
Share your thoughts with other customers

