ANURAG PRAKASHANI
SHIKAR||শিকার
Highlights
ভয় একটা ছোট্ট শব্দ, কিন্তু এর পরিধি অনেক বড়।ভয় শব্দটা সকলের কাছেই বড্ড আকর্ষণীয়। ভয় পেতে কম বেশি আমরা সবাই ভালোবাসি। হাড় হিম করা কাহিনী যা রাতের ঘুম কেড়ে নেয়, তা হয়ত অনেকের কাছে পরম উপভোগ্য হয়ে ওঠে।
যাঁরা ভয় পেতে ভীষণ ভালোবাসেন কিংবা ভয়ের চোরা গলিতে পথ হারিয়ে শিহরিত হতে চান বারংবার....
এই বই তাদের জন্য।
শব্দের উৎস লক্ষ্য করে এগোতেই, হঠাৎ যেন থেমে গেল শব্দটা......
বারান্দা জুড়ে শুধুই মিশকালো অন্ধকার ! সে অন্ধকার একটু চোখ সওয়া হতেই, এদিক ওদিক দিশাহীন ভাবে উঁকি ঝুঁকি দিতে লাগল ঝুমা !
একটা ক্ষীণ আলোর রেখা চোখে পড়ল হঠাৎ.... অন্ধকার মেঝেতে সেই রেখা যেন একটা রহস্যময় আঁচড়ের মত দাগ কেটে দিয়েছে .....
অতি সন্তর্পণে এগোতেই বুঝল আলোটা একটা খড়খড়ির জানলার ভিতর দিয়ে বাইরে এসে পড়েছে। আলতো হাতে সেটা ধরে টান দিতেই ফাঁক হয়ে গেল জানলাটা..... নীলচে আলোয় ডুবে রয়েছে ঘরের ভিতরটা।
কি ঘটল এরপর ? জানতে হলে পড়তে হবে শিকার।
#রক্ত প্রবাল
বাড়ির ভিতরে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে অনিরুদ্ধর কেমন একটা বিশ্রী অস্বস্তি শুরু হয়েছে। একটা অন্ধকারের সমুদ্রে যেন তলিয়ে আছে এখানকার সবকিছুই। সময় যেন এখানে থেমে গেছে হঠাৎ.....
কখন কেন এমন উপলব্ধি হল অনিরুদ্ধর ? ঠিক কোন বিপদ গুঁড়ি মেরে এগিয়ে আসছিল অনিরুদ্ধ আর ওর বন্ধুদের দিকে ? কি ঘটতে চলেছে গল্পের শেষে ! জানতে হলে পড়তে হবে রক্ত প্রবাল।
তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা
ইনভারনেস গিয়ে সত্যি একটা মধুর আবেশে ডুবে গিয়েছিল দুজনে। পাহাড় আর সাগরের মিলনে এ যেন কোনো শিল্পী র ক্যানভাসে আঁকা ছবি। ঝির ঝির বৃষ্টি আর রোদের লুকোচুরি খেলা দেখতে দেখতে ওরা ইনভারনেস ক্যাসেলে উঠছিল। একটু পিছিয়ে পড়েছিল মেঘমালা। সায়ক ছোট ছেলের মত লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছিল, আর সেই সৌন্দর্য কে ক্যামেরাবন্দী করার নেশায় মেতে উঠেছিল।
হঠাৎ একটা বলিষ্ঠ হাতের ছোঁয়ায় চমকে পিছন ফিরে তাকায় মেঘমালা। পিছন ফিরতেই ওর চোখ বিস্ফারিত হয়ে যায়।
"তুমি"...
এ কাকে দেখছে মেঘমালা? এ যে অসম্ভব। এটা কিছুতেই হতে পারেনা।
কোন অসম্ভবের কথা বলা আছে এই রোমহর্ষক কাহিনী তে ?
কিংবা ......
ইনভারনেসে গিয়ে আর কোন মারাত্মক অভিজ্ঞতা হয়েছিল মেঘমালার?
"কে কে ওখানে?"চিৎকার করতে গিয়েও নিজেকে সামলে নেয় মেঘমালা।
মনে হয়, একটা গভীর রহস্য যেন লুকিয়ে আছে এই বাড়ির আনাচে কানাচে...
.... হঠাৎ পুড়ে যাওয়া মাংসের উৎকট গন্ধে ঘরের বাতাস যেন বড্ড ভারী হয়ে ওঠে! আশ্চর্য! মাংস তো রান্না শুরুই করেনি মেঘমালা। দৌড়ে কিচেনে ঢুকতেই , ভয়ে বিস্ময়ে ওর চোখ বিস্ফারিত হয়ে যায়।
কি দেখে মেঘমালা মারাত্মক ভয় পেয়েছিল ? কোন রহস্য লুকিয়ে আছে সেই বাড়ির আনাচে কানাচে!
সব উত্তর আছে " তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা " উপন্যাসিকাটিতে।
# চেকমেট
দুহাতে মাথা চেপে ধরে, বিছানার ওপরে বসে পড়ল বৈশালী। এবার শরীরটা সত্যিই যেন একটু খারাপ লাগছে।
হাত, পা যেন ধীরে ধীরে অবশ হয়ে আসছে...কি হচ্ছে এসব ! এরা কারা ! এতক্ষণ তো কাউকে দেখতে পায়নি....কোথা থেকে উদয় হচ্ছে একে একে ! কেন ! কেন !
প্রথমে গাড়ির মধ্যেই ওই রহস্যময়ী বৃদ্ধা ......তারপর প্রীতিলতা, হঠাৎ করে উদয় হলেন এক বৃদ্ধ! এখন আবার আরেকজন মহিলা। এ কোন গোলকধাঁধায় ওকে ফেলে দিয়ে গেল শিবু। এখনো কি গাড়ি সারানো হয়নি? মাথায় যেন আগুন জ্বলে উঠল বৈশালীর। একটা ভয় সেইসঙ্গে চেপে বসেছে মনের ভিতর। শিবুকে এক্ষুনি একটা ফোন করা দরকার।
এরপর কোন বিপদ আসতে চলেছে বৈশালীর জীবনে ?
উত্তর পাবেন চেকমেট গল্পে।
এমন ছয় টি রোমহর্ষক গল্প নিয়ে সেজে উঠেছে বইটি। অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা ভয়াল বিভীষিকার সঙ্গী হতে চাইলে এই বই আপনার জন্য।
Reviews and Ratings
No Customer Reviews
Share your thoughts with other customers

